edited- দ্বীন, ইলম ও ইসলামের ধ্বংসস্তুপের ওপর ইসলাম কি আদৌ কায়েম করা যায়? – শরিফ মুহম্মদ

একটু অবাকই লাগছে।
এত রক্ত ঝরানোর পরও, আলেম ও মাদরাসার ছাত্রদের প্রতি এত জঘন্য নৃশংসতার তথ্য প্রকাশ হওয়ার পরও তাদের উপর – নিচে কোথাও কোনো অনুশোচনা নেই!
উল্টো যুক্তি, ভবিষ্যত দুরভিসন্ধি ও উল্লাসের আলামত চারপাশে।
এরা কি দ্বীনের কোনো জামাত হতে পারে?
বুঝতে পারছি না, এই খুনি মনোবৃত্তি নিয়ে এরা কীসের তাবলীগ করবে আর?
এমন লোকেরা মসজিদে মসজিদে কীসের বয়ান করবে?
কীসের তালিম করবে? কীসের মশওয়ারা করবে?
এরা দলবেঁধে তাবলীগের কাজ ছেড়ে দিলে কী ক্ষতি হবে?
এরা তাবলীগের কাজ করলে কী ফায়দা হবে?
এরা তো দ্বীন, ইলম ও ইসলামের ধ্বংসস্তূপের ওপর নিজেদের ‘মেহনত’ কায়েমের চেষ্টায়
হরদম রক্ত ঝরানোর জন্য তৈরি হয়েই আছে।
আরেক কথা -হানাহানি, রক্তপাত আর প্রাণনাশের ফেতনা মাথায় নিয়ে
ইজতেমা কিংবা জোড় আয়োজনের কোনো চ্যালেঞ্জ গ্রহণ বা প্রদানের দরকার আদৌ আছে কি না ভেবে দেখতে সবার কাছে অনুরোধ করব।
স্থিরতা, পরিস্থিতির পূর্বাপর মূল্যায়ন এবং সত্য তুলে ধরার সব চেষ্টার পাশাপাশি সংঘাত এড়িয়ে চলার কৌশল এখন খুব গুরুত্বপূর্ণ।
রাজনীতি ও প্রশাসনের ফাঁদে পা না দেওয়া আর মাথাগরম সিদ্ধান্ত থেকে দূরে থাকার প্রয়োজনটাও এখন অনেক। আল্লাহ্‌ আমাদের হেফাজত করেন।

Leave a Reply