এই সাদ তো আমার হাতে বড় হয়েছে । মাও. ওমর ফারুক সন্দীপী

খুব দুঃখের সাথে বলতে হয়,
আমাদের দেশে তাবলীগের একটি ফিতনা চালু হয়েছে। এ ফিতনার জন্মদাতা হচ্ছে মাওলানা সাদ নামে নিজামউদ্দিনের একজন আলেম। আমার সাথে তার গভীর সম্পর্ক, আমি সন্দীপের পীর সাহেবের জামাই তাছাড়াও আমার আরো পরিচয় আছে কিন্তু সাদের সাথে আমার কঠিন একটা সম্পর্ক আছে কি সম্পর্ক?
সেটা শুনলে আশ্চর্য হবেন। আমি সাদের দাদার শ্বশুরের তিন বৎসর খাদেম ছিলাম। আমার উস্তাদের নাম হযরত মাওলানা জাকারিয়া সাহেব রহঃ। এ জাকারিয়া সাহেব রহঃ কে জানেন? মাওলানা ইলিয়াস সাহেব রহঃ এর ভাতিজা, এবং মাওলানা ইউসুফ সাহেব রহঃ শ্বশুর। আর মাওলানা ইউসুফ সাহেব রহঃ কে জানেন? তিনি এই সাদের দাদা। সাদের আব্বার নাম মাওলানা হারুন তাঁর বাবার মাওলানা ইউসুফ তাঁর শ্বশুরের নাম মাওলানা জাকারিয়া সাহেব রহঃ সাদ তো তাঁর বাবাকে দেখেছে তাঁর দাদাকে দেখে নাই আমি তার বাবার নয় ওর দাদার শ্বশুরের তিন বছর খিদমত করেছি। আমি মাওলানা সাদ সম্পর্কে যত বেশি জানি এ বাংলার জমিনে কেউ জানে না। আর কাকরাইলের মধ্যে যেটা আছে ফিতনার গুরুঠাকুর তার নাম হলো ওয়াসিফুল ইসলাম ঐ গাধাটাকেও আমি তিন বছর পড়িয়েছি। সরাসরি ওয়াসিফ আমার ছাত্র, ওর বউ মিনু বেগমও আমার ছাত্রী, ওর মেয়ে হাফসাও আমার ছাত্রী, ওর খেলে ওসামাও আমার ছাত্র, ওয়াসিফের দুই ছেলে এক মেয়েকে আমি হেদাতুন্নাহু পর্যন্ত সবকান সবকান পড়িয়েছি। ওদেরকে আমার থেকে বেশী কেউ চিনে না। সে কাকরাইলের মুরুব্বি হতে পারে, আমি কাকরাইলে এক বছর ছিলাম আমি সন্দীপের পীর সাহেবের সাথে চিল্লা লাগিয়েছি , মাওলানা মনীর সাহেবের সাথে চিল্লা লাগিয়েছি, আমি মাওলানা জুবাইরের শ্বশুর মাওলানা লুৎফুর রহমান সাহেব রহঃ এর সাথে চিল্লা লাগিয়েছি, আমি মাওলানা আব্দুল আজিজ সাহেব রহঃ এর সাথে চিল্লা লাগিয়েছি, আমি মাওলানা মামুনুল হক্ব রহঃ সাথে চিল্লা লাগিয়েছি। আমি নান্দাইলের মাওলানা ইদ্রিস সাহেব রহঃ এর চিল্লা লাগিয়েছি, আমার আব্বা ৫২ বছর সন্দীপের তাবলীগের আমীর ছিলেন। আজ যদি কেউ বলে আমি তাবলীগ বেশি বুঝি তাহলে আমি বলবো তোর মতো মিথ্যুক এ দুনিয়াতে নাই। কেন ? সাদ তো আমার হাতেই বড় হয়েছে। মাওলানা জাকারিয়া সাহেব রহঃ খাদেমের তালিকায় আমি ওমর ফারুকের নাম আছে আর ওয়াসিফুল ইসলামকে যে কেউ গিয়ে জিগ্যেস করো হে ওয়াসিফ! তুমি নাকি মাওলানা ফারুক সাহেবের ছাত্র? তোমার বউ মিনুও নাকি ছাত্রী? যদি সে মিথ্যা কথা বলে তাহলে আল্লাহ তায়ালা তার জিহ্বা হাশরের ময়দানে কেটে দিবেন। এই বেইমানেরা তাবলীগের কাজকে ধ্বংস করে দিয়েছে সবগুজারীকে ধ্বংস করে দিয়েছে। মুসলমানে মুসলামে ঝগড়া লাগিয়ে দিয়েছে। আমাদের মাসুম বাচ্চাদের হাত পা ভেঙ্গে দিয়েছে। তাদের শরীর থেকে রক্ত প্রবাহিত করে টঙ্গী ময়দানকে লাল করে দিয়েছে।
যারা কুরআনের ও হাদিসের আলেমদের আহত করেছে ক্ষতবিক্ষত করেছে তাদের কাছে ইসলামের কোন অংশ নেই ।
তিনি সম্প্রতি এক মাহফিলে এসব কথা বলেন। মাদানী নগর জামিয়ার বর্তমান মুহতামিম দা.বা.

Leave a Reply