edited-তাবলীগ জামাতের চলমান সংকট নিরসনে প্রতিটি মাদরাসায় একাজ জোরদার করতে হবে- শামসুদ্দোহা আশরাফী


দাওয়াত ও তাবলীগের চলমান সমস্যা কূটনৈতিকভাবেই মুকাবালা করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে হিকমাহ’র সর্বোচ্চ প্রয়োগ থাকা চাই৷ সামান্য ভুলের কারণে মারাত্মক মাশুল গুনা লাগতে পারে পুরা জাতিকে।

সংকট খুব সহজে নিরসন হবে বলে মনে হয়না। দিন যত যাচ্ছে, সংকট ততই প্রকট হচ্ছে। বিশেষত টঙ্গী ট্রাজেডির পর এর ভয়াবহতা অনুমান করা গেছে। এ মুহূর্তে উলামায়ে কেরাম একাজের পুরো দায়িত্ব বুঝে নিতে হবে। কারণ শুরু দিন থেকে অদ্যাবধি উলামারাই একাজের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।

এতায়াতিদের মধ্যে এখনো বহু সাথী আছে যারা উলামায়ে কেরামের প্রতি বিদ্বেষী নয় বরং শ্রদ্ধাশীল।
কিন্তু আস্থাশীল হতে পারছেনা। একথা ভেবে যে,কিছুদিন পর তো আবার আলেমরা মাদরাসা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যাবে তখন আমাদের কী হবে? একই কারণে উলামাদের সাথে থাকা আম সাথীদের মধ্যেও দোদুল্যমান একটা ভাব কাজ করছে। তাই কাজকে ঢেলে সাজানোর অনুরোধ করছি।
নিচে আমার কিছু খেয়াল পেশ করলাম।

(১) প্রতিটি মাদরাসায় দাওয়াত ও তাবলীগের যাবতীয় কার্যক্রম প্রাতিষ্ঠানিকভাবে জোরালো করা। তথা ৫ কাজ চালু করা।

(২) বর্তমানে প্রায় প্রতিটি মসজিদেই সমস্যা চলছে।
তাই কাজকে মসজিদে সীমাবদ্ধ না রেখে বিকল্প হিসেবে মাদরাসায় কাজ শুরু করে দেয়া।

(৩) কোন মারকাজই এখন নিরাপদ নয়। তাই থানা ও জিলাওয়ার বড় মাদরাসা বা মাদরাসার মসজিদকে বিকল্প মারকাজ হিসেবে এখন থেকেই ফিকির করা ।

(৪) প্রতি বন্ধে মাদরাসাগুলো থেকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে ৩ দিনের জামাত বের করা। এবং বার্ষিক পরীক্ষার বন্ধে চিল্লা ও সালের জন্য তারতীব করা ।

(৫) বর্তমান ফিতনায় এতায়াতিদের পক্ষে যেসব কওমি আলেম নেতৃত্ব দিচ্ছে তাদের চিহ্নিত করে তারা যেই যেই মাদরাসার ফারেগ সেখানে ডেকে বুঝানো হোক। না বুঝলে এদের সনদ বাতিল করে দেয়া ।

আশা করি এতে ফেতনাও দমবে কাজও এগিয়ে যাবে।

Leave a Reply